Tuesday, November 27, 2018

কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটনের ব্যবহার



কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায়।
চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ
F1 : সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে।
F2 : ধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়।
F3 : কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
Image result for কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12
F4 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
Image result for কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12
F6 : চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8 : কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
F9 : কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
F10 :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11 : চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়।
F12 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রি


Md Monir Hossain.  

 B.Sc.(Hons) Computer Science and engineering
Network Technology Specialist , ICT Specialist, PHP,HTML,CSS,C,C++,Database
Teacher: Information and Communication Technology
British International School And College 






কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়ার কারন ও সমাধান

কম্পিউটার যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটিং জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হল সমস্যা প্রতিনিয়তই আমরা নানান ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি
সেই শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সমস্যা নামক বস্তুটি ওতপ্রোতও ভাবে জড়িয়ে আছে সুতরাং কম্পিউটার ব্যাবহার করতে হলে আপনাকে এসব সমস্যার সমাধান সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় শখের কম্পিউটার টি অদ্ভুত আচরণ করে। কিছুক্ষণ চলার পর রিস্টার্ট হয় অথবা অপারেটিং সিস্টেম চালু হবার ঠিক পূর্বে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তখন নিজের কাছেই খুব বিরক্ত লাগে।
অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারনেঃ কম্পিউটার এর অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়ার অন্যতম কারন। এতে প্রসসেসর অতিরিক্ত তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসসেসর সাধারনত একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার কার্যক্ষমতা বন্ধ করে ফেলে। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশে পাশের জায়গা খোলা রাখুন যাতে অতিরিক্ত গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে। আপনি আপনার পিসিটিতে অতিরিক্ত একটি পাখাও ব্যাবহার করতে পারেন।
অপারেটিং সিস্টেম এর কারনেঃ অনেক সময় অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন কারনে ক্রাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং পুনরায় চালু হওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়াও অনেক জটিল সমস্যা থেকেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে। এটা অপারেটিং সিস্টেম এ ডিফল্ট হিসাবে দেওয়া থাকে। আপনি চাইলে এটা বন্ধ করতে পারেন। এজন্য যেটা করতে হবে, মাই কম্পিউটার এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Advanced Tab এ আসুন, এখানে Start up and Recovery এর নিচে Setting এ ক্লিক করুন। এখানে System failure এর অধিনে Automatic Restart Option টি আনচেক করুন।
ভাইরাস এর কারনেঃ বিভিন্ন ভাইরাস এর কারনেও কম্পিউটার অনেক সময় রিস্টার্ট হয় তাই একটা ভাল এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করুন এবং নিয়মিত হালনাগাদ করুন শিডিউল অনুযায়ী পুরো কম্পিউটার টি নিয়মিত স্কয়্যান করুন।
হার্ডডিস্ক এর কারনেঃ এটা একটা কমন সমস্যা। হার্ডডিস্ক এ ব্যাড সেক্টর পরলে অথবা সেখান থেকে ডেটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট অথবা হ্যং হয়ে যেতে পারে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায় এতে কাজ না হলে হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করা যেতে পারে হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে অনেক সময় হার্ডডিস্ক এ এরর থাকে এর কারনেও রিস্টার্ট সমস্যা হতে পারে আপনি ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে এরর চেক করতে পারেন অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে।

ইউএসবি ডিভাইস এর কারনেঃ অনেক সময় ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটার এ যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয় তবে বেসিরভাগ সময় অপারেটিং সিস্টেম এই কাজ করার আগে আপনার কাছে অনুমতি চাইবে তবে আপনার ওই ডিভাইস টি যদি সমস্যা যুক্ত হয় তাহলে কম্পিউটার বার বার রিস্টার্ট হবে।
র‌্যামের কারনেঃ র‌্যামের কারনেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে ধরুন আপনি যে র‌্যাম কম্পিউটার এ লাগিয়েছেন সেটি আপনার মাদারবোর্ড এ সাপোর্ট করছে না অথবা স্পীড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা র‌্যামের চিপ নষ্ট থাকতে পারে এসব কারনে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে আবার অনেক সময় বেশি র‌্যামের লাগালেও এমনটি হতে পারে।
সফটওয়্যার ও গেইমস এর কারনেঃ অনেক সময় বিভিন্ন সফটওয়্যার ও গেইম ইন্সটল করার সময় কম্পিউটার অদ্ভুত আচরন করে অথবা বার বার রিস্টার্ট হয়ে যায় তাই এই ধরনের সফটওয়্যার ও গেইম ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন ইন্সটল করার পর যদি সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দ্রুত আনইন্সটল করুন।
হার্ডওয়্যারের কারনেঃ বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিক ভাবে কনেকটেড না থাকলে বা লুস কনেকটেড থাকলে বা সমস্যা যুক্ত থাকলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। হার্ডওয়্যার এসেম্বল করার সময় ভাল ভাবে চেক করে নেয়া ভাল।

Md Monir Hossain. 
B.Sc.(Hons) Computer Science and engineering 
Teacher: Information and Communication Technology
Mobile:01767687804;



Microsoft Word প্রোগ্রাম ওপেন -বন্ধ করার নিয়ম

Microsoft Word  প্রোগ্রাম ওপেন করার নিয়ম 
Start Menu
 তে কিক করে তারপরAll Programs-এ কিক করলে অনেকগুলো অপশনের নাম আসবে। অর্থাৎ কম্পিউটারের যে সব এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারগুলো দেওয়া আছে তা দেখাবে। এখান থেকে Microsoft Word এর উপর কিক করতে হবে তাহলে পর্দায় লেখার উপযোগি একটি সাদা পাতা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া উইন্ডোজের উপরের অংশে ডান কোনায় শর্টকার্ট মেনু থেকে Word এর আইকনে ক্লিক করেও ওপেন করা যায়( যদি শর্টকার্ট বার বা মেনু ইনষ্টল করা থাকে)। এছাড়া কী বোর্ড শর্টকার্ট তৈরী করে নেয়া যায় এবং তা ব্যবহার করে দ্রুত ওপেন করা যায়।


  Microsoft Word   প্রোগ্রাম বন্ধ করার নিয়ম 
Microsoft Word
  প্রোগ্রাম বন্ধ করার বিভিন্ন নিয়ম বা পদ্ধতি আছে। প্রথমত: মেনু বারের ফাইল মেনুতে ক্লিক করে মেনুস্থ Exit লেখা অপশনে কিক করবো এ ক্ষেত্রে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে এবং এই বক্সের লেখাটি জানতে চায় ফাইল বন্ধ করার পূর্বে আমরা ডকুমেন্ট সেভ পরিবর্তন করবো কিনা। এর ঠিক নীচে Yes/ No দু’টো অপশন থাকবে, এর যে কোনটি চাপলে অর্থাৎ সেভ পরিবর্তন করতে চাইলে Yes আর পরিবর্তন করতে না চাইলে No তে ক্লিক করলে প্রোগ্রাম ফাইল বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও টাইটেল বারের ডান পাশের T প্রতীকের উপর কিক করেও প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।




কিভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা হয় ?


কম্পিউটারে কাজ শেষে বা যে কোন কারণে কম্পিউটারর বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে যাবতীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করে নিতে হবে। তারপর খোলা জানালা বা উইন্ডোজের নীচে বাম পাশে Start  লেখা অংশে মাউসের পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করলে একটি মিনি পর্দা আসবে যেখানে অনেকগুলো অপশন লেখা থাকবে। 

সবচেয়ে নীচে ডানদিকে Turn off লেখা একটি অংশ দেখা যাবে। ঠিক ঐ অংশে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করলে খোলাজানালায় অন্য একটি মিনি পর্দা আসবে যেখানে  Stand by, Turn off  এবং  Restart নামের তিনটি অপশন দেখা যাবে। এখান থেকে Turn off এর উপর ক্লিক করলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর সকল বিদ্যুৎ সংযোগগুলো খুলে ফেলতে হবে বা A/C Off করে দিলেও চলবে।

হ্যাকিং কি?

হ্যাকিং কি?
হ্যাকিং একটি প্রক্রিয়া যেখানে কেউ কোন বৈধ অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে। যারা এ হ্যাকিং করে তারা হচ্ছে হ্যাকার। এসব কথা তোমরা প্রায় সবাই জান। আমরা প্রায় সবাই জানি হ্যাকিং বলতে শুধু কোন ওয়েব সাইট হ্যাকিং আবার অনেকের ধারনা হ্যাকিং মানে শুধু কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করা, আসলে কি তাই? না আসলে তা না। হ্যাকিং অনেক ধরনের হতে পারে।




 তোমার মোবাইল ফোন, ল্যান্ড ফোন, গাড়ি ট্র্যাকিং, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও ডিজিটাল যন্ত্র বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে তা ও হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে। হ্যাকাররা সাধারনত এসব ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের ত্রুটি বের করে তা দিয়েই হ্যাক করে

Md Monir Hossain. 
B.Sc.(Hons) Computer Science and engineering 
Teacher: Information and Communication Technology
Mobile:01767687804;

ICT 2021 banar Copy Copy